চরাঞ্চলে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে প্রশাসনের ভুমিকা নেই

দিনমজুর মানুষগুলো কাজ না পেয়ে প্রায় মানুষ হতাশায় ভুগছেন।

আব্দুল্লাহ আল মারুফ, কামারখন্দ,
সারা বিশ্বে চলছে করোনা ভাইরাস আতংক এই আতংকে বেশিরভাগ দেশের প্রধান প্রধান শহর সরকারের নির্দেশে লকডাউন করে দিয়েছে।
বাদ পড়েনি বাংলাদেশেও এই রির্পোট করা পর্যন্ত বাংলাদেশে আক্রান্ত লোকের সংখ্যা ছিলো ৪৮ জন এদের ভিতরে মারা গেছেন ৫ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১৫ জন ।
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ ও উপজেলায় যেন করোনা ভাইরাসে কোন মানুষ আক্রান্ত না হয় সেজন্য উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসসহ নানা সেচ্ছাসেবী কর্মীরা নানাভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বলে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছেন।
এছাড়া কামারখন্দ উপজেলার প্রধান প্রধান সড়কসহ গ্রামের রাস্তায় জীবাণুমুক্ত করতে স্প্রে করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনসহ সেচ্ছাসেবীরা লিফলেট, সাবানসহ উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় হাত ধোঁয়ার বেসিন রাখা হয়েছে।
তবে উপজেলার চরাঞ্চলে করোনা ভাইরাসে প্রতিরোধে নেই কোন পদক্ষেপ। চরাঞ্চলের সাধারণ মানুষ দিনমজুর কাজ করতে না পেরে অসহায় জীবনযাপন করছে। পাশে দাঁড়ায়নি কেউ বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের নূরনগর এলাকার মধ্যপাড়া ও নুরনগর তালপট্টি গ্রামে এখন পর্যন্ত কোন সরকারি, বেসরকারি, সংস্থা বা এনজিও করোনাভাইরাস নিয়ে সচেতনতা মূলক লিফলেট, মাস্ক, সাবানসহ নানা প্রয়োজনীয় জিনিস তাদের কাছে পৌঁছাইনি বলেও অভিযোগ করেছেন। এ দিকে চর এলাকার দিনমজুর মানুষগুলো কাজ না পেয়ে প্রায় মানুষ হতাশায় ভুগছেন।
নূরনগর তালপট্টি ও নূরনগর মধ্যপাড়া গ্রামের মফিজুল ইসলাম,আল – আমিন, মানিক মিয়াসহ কয়েকজন জানান, আমাদের এলাকার প্রায় লোকজন অটোভ্যান, মাটি কাটার কাজ,অন্যের বাড়িতে গিয়ে দৈনন্দিন নানা ধরনের কাজ করে থাকেন। কিন্তু করোনা ভাইরাসের জন্য এই কাজগুলো আর করতে পারছি না। রাস্তায় বের হতে দিচ্ছেনা প্রশাসন ।

অন্যদিকে যাদের কাজ করবো তারাও কাজে নেয় না। এজন্য আমাদের অবস্থা খুবই খারাপ। ছেলে মেয়েদের নিয়ে অনেক কষ্টে আছি। সরকার যদি আমাদের করোনা ভাইরাস এর জন্য মাস্ক, সাবান, চাল,ডালসহ যেসব নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস যদি দিতেন তাহলে আমাদের জন্য ভালো হতো। তা না হলে আমরা কাজ আর খাদ্যের অভাবেই মারা যাবো।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা মাঠে কাজ করে যাচ্ছি। প্রতন্ত চরাঞ্চলের আমরা সে ভাবে কাজ করতে পারিনি, চেয়ারম্যান কে বলেছি তিনি জনসচেতনতামুলক কাজ করছেন। মঙ্গলবার থেকে সরকারি বরাদ্দকৃত চাউল বিতরণ করবো। চাউল বিতনণ এ আমরা চরাঞ্চলকে গুরুত্ত সহকারে দেখবো।

Share via
Copy link